বুধবার, ১৭ Jul ২০২৪, ১১:৩৪ অপরাহ্ন

মরীচিকা-কাজী সালমান শীশ

মরীচিকা-কাজী সালমান শীশ

মরুভূমি বলতে আমার চোখে ভাসে রাশি রাশি বালু, চারপাশ প্রচণ্ড তপ্ত হলুদ। আরো একটু চিন্তা করলে ক্যাকটাস, বিছা বা উটের কথা মনে পড়ে। মজার ব্যাপার হল আমার পঞ্চাশ বছরের জীবনে কখনো মরুভূমি দেখা হয়নি। অনেক ছোটবেলায় একবার দিল্লি থেকে আজমীর শরীফ গিয়েছিলাম আব্বা-আম্মার সাথে, তখন বাস বলে মরুভূমির ভেতরের রাস্তা দিয়ে গিয়েছিল। আমার স্মৃতিতে নেই। তবুও মরুভূমি বিষয়টা আমার কাছে খুব চেনা লাগে। আফ্রিকা নিয়ে গল্প পড়ে, মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে খবর ও ডকুমেন্টারি দেখে সম্ভবত চিন্তাগুলো মস্তিষ্কে জমেছে। স্বপ্নেও বহুবার মরুভূমি দেখেছি। সেখানে মরুভূমির দিন ও রাত সবটাই দেখেছি।

এমনিতে গরম জায়গা আমার পছন্দ না। বাংলাদেশে, একটা শহুরে পরিবারে আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তাই বছরেসাত-আট মাসই গরমকাল আমার দেখা। কৈশোরে জন্ডিস হওয়ার পর থেকে আর হলুদ রং সহ্য হত না, সূর্য তো অনেক দূরের কথা। ভ্যানগগ ছবি আঁকতে হলুদ রং বা সূর্যকে গুরুত্ব দিতে পারে, সেটা তার ব্যাপার! ইউরোপিয়ানদের কাছে সূর্যের আলো অমূল্য সম্পদ। মাস্টার্স করতে যাওয়ার সময় আমাকে দুই বছর ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট ইয়োর্কশায়ারে থাকতে হয়েছিল। সেখানে ফেব্রুয়ারি মাসে সূর্যের দেখা পেল তো সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ল। পারলে অফিস ছুটি দিয়ে দেয় সূর্যের আলো উপভোগ করার জন্য! সেসময় প্রথম বুঝতে পেরেছি সূর্যের আলোর গুরুত্ব। যখন ১৫-২০ দিন সূর্য ওঠে না, তখন সকলের মানসিকতা বিষণ্ন হয়ে পড়ে। আর যাই হোক, আমরা প্রকৃতির একটা উপাদান আর সূর্য সেই প্রকৃতির শক্তির উৎস। বিষয়টা পছন্দ-অপছন্দের না। বিষয়টা প্রয়োজনীয়তার।

আমার নাম সপ্নীল মুক্তাদির। আমেরিকার সিয়াটেলে একটা কলেজে ফার্মেসি ডিপার্টমেন্টে গবেষক হিসেবে আছি। গবেষক বলতে বড় সায়েন্টিস্ট ভাবলে ভুল হবে। এইখানে অনেক রিসার্চার আছে, যারা নামে মাত্র রিসার্চার হয়ে বেতন নেয়। আমিও অনেকটা সেই দলেরই। এই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছি প্রায় ১৫ বছর হবে। জীবনের প্রথম ৩৫ বছর আমি বাংলাদেশেকাটাই, পরেআমেরিকা চলে আসি। এদেশে আসার কয়েক বছর পর বউ আমাকেডিভোর্স দিয়ে একজন আমেরিকান ব্যবসায়ীকে বিয়ে করে। আমার একমাত্র ছেলে নীল তার মায়ের সাথেই থাকে। বছরখানেক পর নীল ১৮ হবে, তখন সে নিজের মত আলাদা থাকতে পারবে। অনেক ঝড়ঝাপটা গেলেও এখন সবকিছু শান্ত। সংসার নিয়ে আমার আর ভাবনা-চিন্তা করতে হয় না। এতটুকু দয়া প্রাক্তন স্ত্রীআমাকে দেখিয়েছে। বিশাল দেশ আমেরিকা… যাদের পররাষ্ট্রনীতি অস্বাভাবিক নির্মম; আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অস্বাভাবিক বৈচিত্র্যময়।ঈশ্বর যেনতাঁর নিজের হাতে প্রকৃতিকে সাজিয়েছেন। সেই দেশ নিষ্ঠুর, নাকি সভ্য সেদিকে তাকানোর দরকার ঈশ্বরের নেই। যুদ্ধবাজ মার্কিন মুল্লুককেতিনি সব দিয়েছেন। জঙ্গল, পাহাড়, গুহা, সমুদ্র, নদী, মরুভূমি সব। ভূমি আমেরিকা সৃষ্টিহয়েছে কোটি কোটি বছর আগে, আর এর প্রশাসন দাড়িয়েছে আড়াই’শ বছরও হয়নি।

এবার সামারের ছুটিতে কলেজ থেকে অফার আসল পনেরো দিনের বিদেশ ভ্রমণের। দুইটি জায়গার যে কোনো একটিতে যাওয়া যাবে। প্রথমটি হল ফ্রান্স-ইতালি-গ্রিস, দ্বিতীয়টি ইথিওপিয়া-কেনিয়া-তানজানিয়া। আমি দ্বিতীয় অফারটি গ্রহণ করলাম। দেখা গেল ১২ জন রিসার্চারের মধ্যে মাত্র একজন আফ্রিকায় যেতে আগ্রহী!আমার প্রফেসারভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল,
“Why Ethiopia?”
“I love their coffee, that’s the reason.”
“We got tons of Ethiopian coffee here in States. You know better.”
“I don’t believe Americans.”
গম্ভীর প্রফেসার আমার দিকে চশমার ওপর দিয়ে তাকিয়ে হঠাৎ হো হো করে হেসে উঠল।
“Ho ho ho… Sapnil I love your humor! But be careful from African mosquitos and ladies.”
“Ha ha… I will.”
আমেরিকানদের এই গুণটা আমার খুব ভালো লাগে। কোনো কিছুতে হিউমার খুঁজে পেলে সেটাকে মন খুলে উপভোগ করে। সেই হিউমার দেশ, ধর্ম, নারী এমনকি মৃত্যু নিয়েও হতে পারে। হিউমারের মধ্যে যুক্তি খুঁজে একে জটিল করে না।

২।
শেষ মূহুর্তে আফ্রিকা ভ্রমণ বাতিল হল সেখানের আর্মি ও জনগণ সংক্রান্ত সংঘর্ষের জন্য। আমার যেতে আপত্তি ছিল না কিন্তু ইন্সটিটিউট পাঠাবে না। এদিকে ইউরোপের গ্রুপের সাথেআমি যেতে আগ্রহী নই। সব মিলিয়ে ইন্সটিটিউট আমাকে অফার করল- লাস ভেগাস ভ্রমণের জন্য। মরুভূমি পাওয়া যাবে আর বোনাস হিসেবে রয়েছে জুয়া ও নারী। সারা পৃথিবী থেকে প্রতিবছর বিশাল সংখ্যক লোক লাস ভেগাস আসে শুধুমাত্র ক্যাসিনো ও রাত্রিকালীন জীবন উপভোগ করতে। নিষিদ্ধ প্রায় সবকিছুই এখানে বৈধ।

লাস ভেগাসের নিকটবর্তী মোহাভি মরুভূমি ভয়ানক উষ্ণ, শুষ্ক ও বিশাল। মোহাভির বিস্তৃতি ক্যালিফর্নিয়া, নাভাডা ও অ্যারিজোনা পর্যন্ত।নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও এখানে বেশি। এত বছর আমেরিকায় থেকেও আমি নাভাডা, লাস ভেগাসে যাইনি। তাছাড়া মরুভূমি মানেই সেখানে গিয়েঅ্যাডভেঞ্চারে নামতে হবে তাও না। অনেকট্রাভেলার প্রতিবছর মরুভূমির কোনো একটা অংশে অভিযানে আসে। আমেরিকানরা প্রাকৃতিক বড় অঞ্চলগুলোকে ‘পার্ক’ নাম দিয়ে থাকে। সেই পার্কের অভ্যন্তরে গেস্ট হাউজ, মিউজিয়াম, দোকান, হাঁটার ট্রেইল, ক্যাম্প, গাড়ি থেকে শুরু করে হেলিকপ্টারের সুবিধাও থাকে। ইচ্ছা করলে কেউ দীর্ঘসময় বিশ্রাম করেও সময় কাটিয়ে দিতে পারে, যদিও তা কেউ করে না। সবই ভালো কিন্তু আমার যেতে ইচ্ছা করল না। মরুভূমি দেখলে দেখব আফ্রিকায় গিয়ে, অন্য কোথাও না। ইন্সটিটিউটকে জানালাম আমি যাব না। সাথে সাথে তারা আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাড়ে পাঁচ হাজার ডলার পাঠিয়ে দিল। গ্রীষ্মের ছুটিতেআমার বেড়ানোর জন্যযে খরচ তারা বরাদ্দ করেছিল, সেই টাকাটা দিয়ে দিল। বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ছয় লাখ টাকার মত। এই বিষয়গুলো ওরা ভালো মেইনটেন করে।সাধারণদের ঠাণ্ডা রাখার সবচেয়ে বড় জিনিস ডলার! ডলার ছড়িয়ে দিলে সবাই খুশি। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশীল পুঁজিবাদী রাষ্ট্র বলে কথা।

আমিও খুশি হলাম।
আফ্রিকা ও লাস ভেগাসের ভ্রমণ বাতিল। তিনদিন অলস সময় পার করে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে পড়লাম ছুটি কাটাতে। লক্ষ্য সিয়াটেলের ডুয়ামিশ নদীর কাছাকাছি নির্জন কোনো জায়গায় যাওয়া। নদীর খুব কাছে এসে অনলাইনে চেষ্টা করলাম কোনো হোটেল বা গেস্ট হাউজ পাই কিনা। বেশিরভাগই বুক হয়ে গেছে। জুন মাসের ছুটিতে রুম পাওয়া কঠিন। খুঁজতে খুঁজতে একটা মোটেল পেলাম। ওয়েবসাইটে দেখাচ্ছে একটা কাঠের তৈরি একতলা বাড়ি। দুইটা ছোট ছোট রুম। একটা বেডরুম, অন্যটা ডাইনিং কাম কিচেন। আমি বুকিং দিয়ে এগিয়ে চললাম। কোথাও বসে আগে লাঞ্চ করতে হবে, খুব ক্ষুধা লেগেছে। কিছু শুকনা খাবার গ্রোসারিও করতে হবে- চাল, ডিম, চিজ, ক্যান ফুড, সুপ, নুডুলস, ফ্রোজেন ভেজিটেবল এইসব আরকি।

মোটেলটা আমার অসম্ভব পছন্দ হল। নদীর কাছে প্রচুর গাছপালার মধ্যে ছোট একটা কাঠের বাড়ি। জংলা নির্জনতার ভেতর একতলা বাংলো। মেপেল, ওক, পাইন আর বুনো লতায় ঘেরা চারপাশ। দশ মিনিট হাঁটলেই নদী, যদিও মোটেলে ঢুকলে বুঝার উপায় নেই আশেপাশে নদী রয়েছে। বরং মনে হয় কোনো ফরেস্ট বাংলোতে এসে পড়েছি।কিচেনে চুলা, ফ্রিজ, ওভেন, কফি মেশিনসবব্যবস্থা রয়েছে। এখানে কোনো মানুষের সাথে আমার দেখা হয়নি মোটেলে উঠতে। বাড়ির মালিক আমাকে দরজার লকের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিয়েছে। আমি নাম্বার টিপে ঢুকে গেছি। অনেক পুরানো বাড়ি হলেও এই সমস্ত ব্যবস্থা আধুনিক। এরা এইসব ব্যাপারে খুব প্রফেশনাল হয়। ইন্টারনেট থেকে শুরু করে বাথরুমে হেয়ার ড্রায়ার পর্যন্ত সকল প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো থাকে এবং ফাংশন করে। সে যাক আমার সবচেয়ে ভালো লাগল সামনের কাঠের বারান্দাটা। দেখে মনে হয় কোনো শিকারী এখানে ইজি চেয়ারে বসে বিকালে পাইপ খেত, আর অদূরেই দাঁড়িয়ে থাকত তার পোষা হাতি আর ভিন্টেজ গাড়ি।

আমি প্যাকেটের সুপ খেয়ে বিছানায় গিয়ে শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম- এখন আমার থাকার কথা ছিল আফ্রিকার মরুভূমির ভেতর কোনো তাঁবুতে… তার পরিবর্তে আছি নদীর পাশের জঙ্গলে। পাহাড় বেয়ে নেমে আসা ডুয়ামিশ নদীর কাছে। একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে, আরাম করে কয়েকটা দিন কাটানো যাবে। বিছানা আর বই হলে সময় কাটাতে আমার খুব বেশি কিছু লাগে না। কোনো একটা জায়গায় গিয়ে হুড়াহুড়ি করে দশটা জায়গা দর্শন- আমার পছন্দ না। জীবনে হাজারো জিনিস দেখেছি, আবার হাজারো জিনিস না দেখে মরে যাব। এইসব নিয়ে আমার কোনো আপসোস নেই… এইসমস্ত অলস ভাবনা ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম টের পাইনি।

ঘুম যখন ভেঙ্গে দেখি বাইরে অন্ধকার হয়ে গেছে এবং ঝিরঝির বৃষ্টি পড়ছে। ঘড়িতে বাজে রাত ৮টা। অসময়ে এইরকম ঘুম কবে শেষ ঘুমিয়েছি মনে করতে পারলাম না। আমি উঠে কফি বানিয়ে চুলায় ফ্রোজেন সবজি চড়িয়ে দিলাম। রাতে ডিনার করব- সবজি, টুনা মাছআর ভাত। কোথাও গেলে আমি অবশ্যই চাল কিনে গাড়িতে রাখি। আমেরিকায় নানাধরণের রুটি পাওয়া যায়, কিন্তু চালের চলকম। আমার আবার একবেলা ভাত না খেলে মনে হয় সারাদিন কিছু খাইনি। বঙ্গসন্তান বলে কথা।

৩।
খাওয়া শেষে শীতের কাপড় ও রেইন কোট পরে বের হলাম। বেশ ঠাণ্ডা পড়েছে আর স্যাঁতস্যাঁতে একটা ভাব। পাথরগুলো বৃষ্টিতে ভেজা। আমি হেঁটে হেঁটে নদীর কাছে গেলাম। মিনিট পনেরো হাঁটতে হাঁটতে বৃষ্টি কমে গেল। মেঘ ঢেকে দিয়েছে চাঁদকে, কিন্তু এক নৈসর্গিক নীলচে-সোনালী আলো নদীর পানিতে এসে পড়েছে! মনে হল জনমানবহীন ভিন্ন কোনো গ্রহে আমি ঢুকে পড়েছি। পৃথিবীর সবকিছু মানুষের কমবেশি দেখা, কিন্তু তার মধ্যেও এত তফাৎ, এত বৈচিত্র্য কীভাবে সৃষ্টি হয়-কল্পনা করা যায় না। আমি কিচ্ছুক্ষণ একটা পাথরের ওপর বসে নদীর পানিতে হাত ভেজালাম। মাঝে মাঝে আকাশের দিকে তাকালাম। এখন চাঁদ বেশ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। অর্ধেকটা কেটে ফেলা সোনা দিয়ে তৈরি একটা থালা যেন। মনে হল আজকে সারারাত এই পাথরের ওপর বসে কাটিয়ে দিই। এত সৌন্দর্য একসাথে আর কোথায় পাব?

একটু পরেই মন বিষণ্ন লাগতে থাকল। সৌন্দর্যের সীমা অসীমতাকে ছুঁয়ে ফেললেএর প্রতাপ অনেক। আমার মত সাধারণ মানুষের পক্ষে তা বেশিক্ষণ সহ্য করা কঠিন। আমি উঠে মোটেলের দিকে হাঁটা দিলাম। অনেক হয়েছে প্রকৃতি দর্শন ও মেডিটেশন। মনের ঘোর থাকতে থাকতেই ঘরে ফেরা ভালো।

মোটেলে পৌঁছে বারান্দায় দাঁড়াতেই উল্টাপাশের জঙ্গলে মধ্যে দেখলাম হলুদ রং-এর আলো! দূরে গুহার মধ্যে আগুন জ্বললে যেরকম আলোকবিন্দু দেখা যায়, অনেকটা সেরকম। কিন্তু আলোর সত্যিকারের উৎস বুঝতে পারলাম না। কৌতুহল ও কিছুটা ভয় নিয়ে এগিয়ে চললাম আলোরদিকে। আমি হাঁটি আর একই গতিতেআলোটাদূরে সরতে থাকে! কী আজব ব্যাপার! হাঁটার গতি বাড়িয়ে দিলাম, আলোর দিক থেকে দৃষ্টি না ফিরিয়ে। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ একটা পাথরে হোঁচট লাগল… প্রায় পড়ে যেতে যেতে নিজেকে সামলে নিলাম। ব্যথা পাইনি শুধু পায়ের শক্ত বুটটার জন্য। আমি কাছে গিয়ে পাথরটা দূরে ছুঁড়ে মারলাম। এরপর পূর্বদিকে অর্থাৎ যেদিক থেকে আলো আসছিল, সেদিকে তাকিয়ে দেখি কিছুই নেই! এদিক ওদিক সবদিক দেখলাম… সেই আলোর লেশমাত্র নেই! শঙ্কা মনে নিয়ে পথে বসে পড়লাম। আমার কি মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে? দৃষ্টিভ্রম বা মতিভ্রম? জোরে জোরে নিঃশ্বাস নেয়ার পরমস্তিষ্কে একটু অক্সিজেন পৌঁছাল।

হঠাৎ বুঝতে পারলাম বিষয়টা মরীচিকা ছিল। মরুভূমিতে না যেতে পারি, কিন্তু মরীচিকা তো দেখা যেতেই পারে। প্রকৃতির কি অদ্ভুত রহস্যময় খেলা! জীবনে প্রথমবার আক্ষেপ হল মৃত্যু নিয়ে। মানুষের জীবন বড়ই ছোট, বড়ই ক্ষণস্থায়ী।

শেয়ার করুন ..

Comments are closed.




© All rights reserved © পাতা প্রকাশ
Developed by : IT incharge