শনিবার, ২২ Jun ২০২৪, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন

দুখু মিয়া থেকে কবি নজরুল-এক বিস্ময়কর প্রতিভার নাম-মাজহারুল মোর্শেদ

দুখু মিয়া থেকে কবি নজরুল-এক বিস্ময়কর প্রতিভার নাম-মাজহারুল মোর্শেদ

কাজী নজরুল ইসলামের পারিবারিক আদরের ডাক নাম ছিল দুখু মিয়া। এই দুখু মিয়ার জন্ম কোন আলোকোজ্জ¦ল প্রাচুর্যপূর্ণ কোন নগরীতে হয়নি কিংবা বর্ধমানের মতো কোন মফস্বল শহরেও নয়। তারঁ জন্ম হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার একটি অজ গ্রাম চুরুলিয়ায়। ১৮৯৯ সালের ২৪ শে’ মে (১১ জৈষ্ঠ ১৩০৬) কাজী পরিবারে কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম হয়। বাবা ফকির আহমদ ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম এবং মাযারের খাদেম। কাজি পরিবারের সদস্যগণ তৎকালীন মুলিম সমাজের অত্যন্ত মান ভাজন ব্যক্তি ছিলেন। কারণ তাঁদের পূর্ব পুরুষগণ বাদশাহী আমলে বিচারেকের কাজ করতেন বলে এটা ছিল তাঁদের কাছে গৌররেব বিষয়। চুরুলিয়া গ্রামের কাজীরা ও বাদশাহী আমলের প্রাপ্ত সম্পত্তির মালিকও ছিলেন। কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম হয়েছিল দরিদ্র পরিবারে, এমন ধারণা আমাদের সমাজে মোটামুটিভাবে প্রতিষ্ঠিত। তবে তাঁর পূর্বপুরুষ মোটেই দরিদ্র ছিলেন না। মোগল আমলে তাঁরা নবাবদের চাকুরে ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে বিচারকাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। চুরুলিয়ায় তাঁদের প্রচুর না হলেও যথেষ্ট জমিজমা ছিল।
কাজী নজরুলের পিতা কাজী ফকির আহমেদের জীবনকাল ছিল ষাট বছর। তিনি পেশায় একজন দক্ষ দলিল লেখকও ছিলেন। শেষ জীবনে এসে তিনি কিছুটা দরিদ্র হয়ে পড়েছিলেন তার কারণ হিসেবে যানা যায় কাজী ফকির আহমেদের ছিল পাশা খেলার নেশা। পাশা খেলেই তিনি তাঁর ৪০ বিঘা কৃষিজমি হারিয়ে ছিলেন, এমন কথা প্রচলিত আছে। আরবি-ফারসিসহ চারটি ভাষা জানা সুপুরুষ কাজী ফকির আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী জাহেদা খাতুনও ছিলেন উচ্চবংশজাত নারী। নজরুল ছিলেন তাঁর বাবার দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান। নজরুল মাতা জাহেদা খাতুনের চার সন্তান। কাজী সাহেব জান, কাজী নজরুল ইসলাম, কাজী আলী হোসেন ও বোন উম্মে কুলসুম। কাজী সাহেব জান রানীগঞ্জের কয়লাখনিতে চাকরি করতেন।
বার্ধক্য বয়সে কাজী ফকির আহমদ বড় অর্থ কষ্টে জীবন যাপন করেন এবং অনেকটা নিঃশ্ব অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেক দুঃখ-কষ্টে কেটেছে কবির বাল্যজীবন। যে বয়সে একটি ছেলে-অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা করার কথা সেই বয়সে দারিদ্রতার কশাঘাতে তাঁকে রুটির দোকানে কাজ করতে হয়েছিল। দুটো পয়সা রোজগারের জন্য লেটোর দলে গান করতে হয়েছিল, রেলওয়ের গার্ডের খানসামা পদে চাকরি নিতে হয়েছিল। দরিদ্রতা তাঁর জীবনে এমন ভাবে চেঁপে বসেছিল যে, কোনটি বড়কাজ আর কোনটি ছোটকাজ এ নিয়ে চিন্তা করার অবকাশ ছিল না। আসানশোলে চা-রুটির দোকানে রুটি বানানোর কাজ করার সময় তিনি লিখেছিলেন-
‘‘মাখতে মাখতে গমের আটা
ভিজে গেল আমার গাটা” (সংগৃহিত)।
দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করা নজরুল অর্থের অভাবে পড়াশোনা করতে পারেননি। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মভিত্তিক।
ধর্মীয় মাদ্রাসায় তাঁর শিক্ষাজীবনের হাতেখড়ি হয়। এখানে আরবী ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি তিনি ফার্সি ভাষাও অনেকটা রপ্ত করে ফেলেন। কিশোর বয়সে নজরুল স্থনীয় একটি মসজিদে মুয়াজ্জিনেরও দায়িত্ব পালন করেন। কাজী নজরুলের ভবঘুরে বাল্যকাল আর স্কুল শিক্ষা নিয়ে নানা গল্প প্রচলিত আছে আমাদের চারপাশে। পয়সা রোজগারের জন্য হলেও কৈশোরে ভ্রাম্যমাণ নাটক (লেটো গান) দলের সঙ্গে কাজ করার সুবাদে সাহিত্য, কবিতা ও নাটকের সঙ্গে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন। রাঢ় বাংলার (পশ্চিম বাংলার বর্ধমান-বীরভূম অঞ্চল) কবিতা, গান আর নৃত্যের মিশ্র আঙ্গিক লোকনাট্যের দলে বালক নজরুল ছিলেন একাধারে পালাগান রচয়িতা ও অভিনেতা। তাৎক্ষণিকভাবে কবিতা ও গান রচনার কৌশল নজরুল লেটো বা কবিগানের দলেই রপ্ত করেন। এ সময় লেটোদলের জন্য কিশোর কবি নজরুলের সৃষ্টি চাষার সঙ, শকুনিবধ, রাজা যুধিষ্ঠিরের সঙ, দাতা কর্ণ, আকবর বাদশাহ, কবি কালিদাস, বিদ্যাভূতুম, রাজপুত্রের সঙ, বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ, মেঘনাদ বধ প্রভৃতি। মোদ্দা কথা হলো নজরুলের কবি ও শিল্পী জীবনের শুরু এ লেটোদল থেকেই।
আসানসোলে চা-রুটির দোকানে কাজ করার সময় দারোগা রফিজউল্লার সঙ্গে নজরুলের পরিচয় হয়। কিশোর নজরুলের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা চেতনায় মুগ্ধ হয়ে রফিজুল্লাহ দারোগা তাঁকে নিয়ে যেয়ে ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দেন। কিন্তু সেখানে তার মন বেশিদিন টিকলো না। মাত্র এক বছরের মাথায় তিনি পুনরায় ফিরে এসে রানীগঞ্জ থানার শিয়ারশোল রাজস্কুলে ৭ম শ্রেণীতে ভর্তি হন। বার্ষিক পরীক্ষার পর ডাবল প্রমোশন নিয়ে একেবারে ৯ম শ্রেণীতে উঠেন। তাই শৈলজানন্দের সাথে একই ক্লাসে পড়ার সুযোগ হয়। নজরুল এ স্কুলে বরাবরই “ফাষ্ট বয়” ছিলেন। এ স্কুলে তাকে কোন বেতন দিতে হতো না। মুসলিম হোস্টেলে তার থাকা খাওয়ার খরচ ও প্রতি মাসে সাত টাকা করে জমিদার বাড়ি থেকে আসত। তথ্যসূত্র- “কেউ ভোলে না কেউ ভোলে’’ -শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়।
এ স্কুলে নজরুল ১৯১৫-১৭ সালে একটানা অষ্টম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেন। প্রিটেস্ট পরীক্ষার সময় ১৯১৭ সালের শেষদিকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষার আর মাত্র ৬ মাস বাকি এমতাবস্থায় নজরুল পড়াশুনা বাদ দিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ছাত্রজীবনের শেষ বছরগুলিতে নজরুল সিয়ারসোল স্কুলের চারজন শিক্ষক দ্বারা নানাভাবে প্রভাবিত হন। তাঁরা হলেন উচ্চাঙ্গসঙ্গীতে সতীশচন্দ্র কাঞ্জিলাল, বিপ¬বী ভাবধারায় নিবারণচন্দ্র ঘটক, ফারসি সাহিত্যে হাফিজ নুরুন্নবী এবং সাহিত্যচর্চায় নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।
এক দরিদ্র ঘরের সন্তান কাজী নজরুল অর্থাভাবে লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত এগিয়েও তিনি তা চালাতে পারেননি। তারপরও দেখা যায়, তার কবিতা এবং বিভিন্ন লেখায় যে সাংস্কৃতিক চেতনা এবং মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয়েছে তা যেন পরিণত মনের মননশীলতা। তার জীবনের বৃহৎ অংশই রয়েছে রহস্যাবৃত। ছাত্রাবস্থা এবং তারপর এক যাত্রা পার্টি বা লেটো দলের সঙ্গে তার কিছুদিনের সংস্রব ছাড়া কাজী নজরুল ইসলামের জীবন একটা খোলা বই-এর মতো। কী করে তিনি দুখু মিয়া থেকে নজর আলি, নজর আলি থেকে নজরুল এসলাম, নজরুল এসলাম থেকে নজরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম থেকে কাজী নজরুল ইসলাম, কাজী নজরুল ইসলাম থেকে হাবিলদার কাজী নজরুল ইসলাম, এবং শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম হয়ে উঠলেন, সেই বিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ এবং আগ্রহব্যঞ্জক। আসলে তিনি ছিলেন এক বিশ্ময়কর প্রতিভা। তাকে সাধারণ মানুষের মাপে বিচার করতে গেলে ভুল হওয়ারই কথা।
১৯১৭ সালের শেষের দিকে প্রথমে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে ও পরে প্রশিক্ষণের জন্য উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ নৌশহরা যান, ইহা পেশোয়ার জেলার একটি মহকুমা শহর। প্রশিক্ষণ শেষে করাচি সেনা নিবাসে সৈনিক জীবন শুরু করেন। এ সময়ে ৪৯ বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাধারণ সৈনিক থেকে কোয়াটার মাষ্টার হাবিলদার পর্যন্ত হয়েছিলেন। উক্ত রেজিমেন্টে থাকাকালে একজন পাঞ্জাবী মৌলভির কাছ থেকে তিনি ফারসি ভাষা বেশ ভালো ভাবে রপ্ত করে নেন। সেখানে সংগীত মনা কয়েকজন সৈনিকের কাছ থেকে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র বাজানো শিখেন এবং সংগীত চর্চা চালিয়ে যান। করাচি সেনানিবাসে বসে রচিত নজরুলের রচনাবলি কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’ (সওগাত, মে ১৯১৯) নামক প্রথম গদ্য রচনা, প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, জুলাই ১৯১৯) এবং ছোটগল্প ‘হেনা’, ‘ব্যথার দান’, ‘মেহের নেগার’, ‘ঘুমের ঘোরে’; কবিতা ‘আশায়’, ‘কবিতা সমাধি’ প্রভৃতি। উল্লেখযোগ্য যে, করাচি সেনানিবাসে থেকেও তিনি কলকাতার বিভিন্ন সাহিত্যপত্রিকা যেমন, প্রবাসী, ভারতবর্ষ, ভারতী, মানসী, মর্ম্মবাণী, সবুজপত্র, সওগাত ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার গ্রাহক ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে নজরুলের আনুষ্ঠানিক সাহিত্যচর্চার শুরু করাচির সেনানিবাসে থাকাবস্থায়ই।
প্রথম মহাযুদ্ধ শেষে ১৯২০ সালের মার্চ মাসে নজরুল দেশে ফিরে কলকাতায় সাহিত্যিক-সাংবাদিক জীবন শুরু করেন। কলকাতায় তাঁর প্রথম আশ্রয় ছিল ৩২নং কলেজ স্ট্রীটে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি-র অফিসে, সমিতির অন্যতম কর্মকর্তা মুজফ্ফর আহমদের সঙ্গে। শুরুতেই মোসলেম ভারত, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, উপাসনা প্রভৃতি পত্রিকায় তাঁর সদ্যোরচিত বাঁধন-হারা উপন্যাস এবং ‘বোধন’, ‘শাত-ইল-আরব’, ‘বাদল প্রাতের শরাব’, ‘আগমনী’, ‘খেয়া-পারের তরণী’, ‘কোরবানী’, ‘মোহরর্ম’, ‘ফাতেহা-ই-দোয়াজ্দহম্’ প্রভৃতি কবিতা প্রকাশিত হলে বাংলা সাহিত্য ক্ষেত্রে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী বাংলা সাহিত্যের ঝড়তোলা কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২১ সালের অক্টোবর মাসে শান্তি নিকেতনে বিশ^কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে দেখা করতে যান। ডঃ মুহাম্মদ শহিদুল্ল্যাহ তাঁর সাথে ছিলেন-(রবীন্দ্র জীবনী’- প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়)। তখন থেকেই কাজী নজরুল রবীন্দ্রনাথের ভাজন হিসেবে পরিচিতি পায়। ১৯২২ সালের ১২ আগষ্ট নজরুলের সম্পাদনায় অর্ধসাপ্তাহিক ‘ধুমকেতু’ বের হয়। এরপর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নজরুলের জন্য একটি কাব্যবানী ‘নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়াষ’-বরাবরে পাঠিয়েদেন-
‘আয় চলে আয়রে ধুমকেতু
আঁধারে বাধ অগ্নিসেতু
দুর্দ্দিনের এই দুর্গলিরে
উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন।’
১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে নজরুল তাঁর সৈনিক জীবনের ইতি টেনে ফিরে এসেছেন কোলকাতায়। বেচে নিয়েছেন সাহিত্য চর্চা, সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক আন্দোলনের মতো ত্রিমুখী জীবন। বৃটিশ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনে সারা ভারতবর্ষ তখন টালমাটাল। শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হকের “নবযুগ” পত্রিকার তিনি নিয়োমিত সাংবাদিক। এমন সময় বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এক উত্তাল সময়ের বিপরীতে যেন আগুন ঝরে পড়ে তার কলম দিয়ে। মাত্র এক রাত্রেই তিনি লিখে ফেলেন কালজয়ী কবিতা “বিদ্রোহী”। সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন। বিদ্রোহী কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় শান্তিপুরের কবি মোজাম্মেল হক সম্পাদিত “মোসলেম ভারত” পত্রিকায়-
বল বীর
বল -উন্নত মম শির
শির নেহারি আমারি নত শির ওই শিখর হিমাদ্রির।
বল বীর
বল -মহা বিশ্বের মহাকাশ ফড়ি
চন্দ্র সূর্য গ্রহতারা ছাড়ি
ভ’লোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া,
খোদার আসন আরশ ছেদিয়া
উঠিয়াছি চির বিস্ময় আমি বিশ্ব বিধাত্রীর।
এমনই এক বিশ্ময়কর প্রতিভার অগ্নিপুরুষ ছিলেন কবি নজরুল। যাঁর জীবনে দুঃখ-কষ্টের অভাব ছিল না, আবার রং-রূপেরও অভাব ছিল না। পৃথিবীর খুব কম মানুষই বোধ হয় এমন মহাজীবনের অধিকারী হন।

তথ্যসূত্র:
ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত।
“নজরুল প্রসঙ্গে” – -রফিকুল ইসলাম।
“কেউ ভোলে না কেউ ভোলে’’ -শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়।
‘অতীত দিনের স্মৃতি’, সম্পাদক: আবদুল মান্নান সৈয়দ সম্পাদিত, নজরুল ইনস্টিটিউট, ঢাকা;
‘সওগাত যুগে নজরুল’, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, নজরুল ইনস্টিটিউট, ঢাকা;

শেয়ার করুন ..

Comments are closed.




© All rights reserved © পাতা প্রকাশ
Developed by : IT incharge